Breaking News

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে ৩২ হাজার ৫৭৭ জন

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সহকারী শিক্ষকের পদসংখ্যা বাড়ছে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিয়েছে অধিদপ্তর। নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আগে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

সহকারী শিক্ষকের পদসংখ্যা বাড়িয়ে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে এটি আর হচ্ছে না। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ থাকা পদেই নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত আজ শনিবার বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পদেই নিয়োগ হচ্ছে। সে অনুসারে ৩২ হাজার ৫৭৭ পদেই নিয়োগ দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন:

ফলাফলের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহ রেজওয়ান হায়াত বলেন, কবে ফল প্রকাশিত হবে, এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

অধিদপ্তরের একটি সূত্র প্রথম আলোকে বলেন, এই চাকরির জন্য ২০২০ সালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ৩২ হাজার ৫৭৭ পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও এটি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরে চলতি বছরের মার্চে মন্ত্রণালয়ের এক সভায় বলা হয়েছিল, ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নেওয়া হবে। অবসরের কারণে ১০ হাজারের বেশি পদ খালি হওয়ায় পদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, সিদ্ধান্ত অনুসারে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কথা ছিল। সেটি ধরে ওই পরিমাণ শিক্ষককে নির্বাচিত করার প্রক্রিয়াও চলছিল। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসার কারণে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পদেই নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

 

কয়েক কর্মকর্তার আপত্তির কারণেই অতিরিক্ত ১০ হাজার শিক্ষক নেওয়া যাচ্ছে না। তবে কোন কারণে তাঁরা আপত্তি জানালেন, এ বিষয়ে কিছু জানাতে রাজি হননি ওই কর্মকর্তা।

প্রাথমিকের ফলের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছিলেন, নভেম্বরের শুরুতে ফল প্রকাশিত হবে। পরে মন্ত্রণালয় বলেছে, দ্বিতীয় সপ্তাহে হবে। তৃতীয় সপ্তাহ শুরু হলেও ফল প্রকাশ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন কিছু কিছু প্রার্থী।

অনেকে জানান, তাঁরা বেকার। এখন দ্রুত চাকরি হলে তাঁদের বেকারত্ব ঘুচত ও পরিবারকে তাঁরা আর্থিক সহায়তা করতে পারতেন। কিন্তু সেটি হচ্ছে না।

তাঁদের দাবি যেন দ্রুত সময়ের মধ্যে নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়। সূত্রঃ প্রথম আলো

About Ruma Khatun

আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী। আমি শিক্ষার্থীদের জন্য অবসর সময়ে লেখা-লেখি করি। আমি সরকারি বি এল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী।

Check Also

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২২

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা জানুয়ারিতে

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা জানুয়ারিতে   সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় …

Leave a Reply

Apply Online Here